1. a.juha.pi.404@gmail.com : a.juha.pi.404 :
  2. derekholt1977@outlook.com : derekholt1977 :
  3. razib_rewf@yahoo.com : epharmacy :
  4. june.soton1k1f0l1x0@gmail.com : june.soton1k1f0l1x0 :
  5. kay.floresm0y0m0n0j0@gmail.com : kay.floresm0y0m0n0j0 :
  6. s.i.fab.a.coc4.9.6@gmail.com : s.i.fab.a.coc4.9.6 :
  7. supayovu27@gmail.com : supayovu27 : BLIPVAqShDAspKrC vNicNCvQfjkrwbNGpS
  8. w.iz.i.m.ija.g.4.43@gmail.com : w.iz.i.m.ija.g.4.43 :
  9. xtw18387@outlook.com : xtw18387 :
  10. xtw18387+005f@outlook.com : xtw18387005f :
  11. xtw18387+00fc@outlook.com : xtw1838700fc :
  12. xtw18387+0a5d@outlook.com : xtw183870a5d :
  13. xtw18387+0af0@outlook.com : xtw183870af0 :
  14. xtw18387+0dc2@outlook.com : xtw183870dc2 :
  15. xtw18387+0f7b@outlook.com : xtw183870f7b :
  16. xtw18387+1049@outlook.com : xtw183871049 :
  17. xtw18387+12d3@outlook.com : xtw1838712d3 :
  18. xtw18387+16b0@outlook.com : xtw1838716b0 :
  19. xtw18387+1b38@outlook.com : xtw183871b38 :
  20. xtw18387+2227@outlook.com : xtw183872227 :
  21. xtw18387+23fd@outlook.com : xtw1838723fd :
  22. xtw18387+2618@outlook.com : xtw183872618 :
  23. xtw18387+28aa@outlook.com : xtw1838728aa :
  24. xtw18387+2ab5@outlook.com : xtw183872ab5 :
  25. xtw18387+2ba6@outlook.com : xtw183872ba6 :
  26. xtw18387+3664@outlook.com : xtw183873664 :
  27. xtw18387+3f9f@outlook.com : xtw183873f9f :
  28. xtw18387+419e@outlook.com : xtw18387419e :
  29. xtw18387+428c@outlook.com : xtw18387428c :
  30. xtw18387+4abe@outlook.com : xtw183874abe :
  31. xtw18387+4da5@outlook.com : xtw183874da5 :
  32. xtw18387+5098@outlook.com : xtw183875098 :
  33. xtw18387+51da@outlook.com : xtw1838751da :
  34. xtw18387+58c0@outlook.com : xtw1838758c0 :
  35. xtw18387+5c9c@outlook.com : xtw183875c9c :
  36. xtw18387+5e76@outlook.com : xtw183875e76 :
  37. xtw18387+5ffd@outlook.com : xtw183875ffd :
  38. xtw18387+603a@outlook.com : xtw18387603a :
  39. xtw18387+6991@outlook.com : xtw183876991 :
  40. xtw18387+6ded@outlook.com : xtw183876ded :
  41. xtw18387+72fb@outlook.com : xtw1838772fb :
  42. xtw18387+73fe@outlook.com : xtw1838773fe :
  43. xtw18387+7482@outlook.com : xtw183877482 :
  44. xtw18387+78f4@outlook.com : xtw1838778f4 :
  45. xtw18387+8118@outlook.com : xtw183878118 :
  46. xtw18387+834c@outlook.com : xtw18387834c :
  47. xtw18387+8542@outlook.com : xtw183878542 :
  48. xtw18387+865a@outlook.com : xtw18387865a :
  49. xtw18387+8680@outlook.com : xtw183878680 :
  50. xtw18387+882e@outlook.com : xtw18387882e :
  51. xtw18387+896b@outlook.com : xtw18387896b :
  52. xtw18387+8c67@outlook.com : xtw183878c67 :
  53. xtw18387+9301@outlook.com : xtw183879301 :
  54. xtw18387+9328@outlook.com : xtw183879328 :
  55. xtw18387+9482@outlook.com : xtw183879482 :
  56. xtw18387+99fb@outlook.com : xtw1838799fb :
  57. xtw18387+9e2b@outlook.com : xtw183879e2b :
  58. xtw18387+a114@outlook.com : xtw18387a114 :
  59. xtw18387+a314@outlook.com : xtw18387a314 :
  60. xtw18387+a631@outlook.com : xtw18387a631 :
  61. xtw18387+a6a4@outlook.com : xtw18387a6a4 :
  62. xtw18387+ad56@outlook.com : xtw18387ad56 :
  63. xtw18387+af5d@outlook.com : xtw18387af5d :
  64. xtw18387+b06b@outlook.com : xtw18387b06b :
  65. xtw18387+b2f7@outlook.com : xtw18387b2f7 :
  66. xtw18387+b5ab@outlook.com : xtw18387b5ab :
  67. xtw18387+ba7f@outlook.com : xtw18387ba7f :
  68. xtw18387+bd6a@outlook.com : xtw18387bd6a :
  69. xtw18387+bddc@outlook.com : xtw18387bddc :
  70. xtw18387+be29@outlook.com : xtw18387be29 :
  71. xtw18387+c071@outlook.com : xtw18387c071 :
  72. xtw18387+c53e@outlook.com : xtw18387c53e :
  73. xtw18387+ccda@outlook.com : xtw18387ccda :
  74. xtw18387+cd54@outlook.com : xtw18387cd54 :
  75. xtw18387+ce2b@outlook.com : xtw18387ce2b :
  76. xtw18387+d1d7@outlook.com : xtw18387d1d7 :
  77. xtw18387+d478@outlook.com : xtw18387d478 :
  78. xtw18387+d61a@outlook.com : xtw18387d61a :
  79. xtw18387+d7de@outlook.com : xtw18387d7de :
  80. xtw18387+d7f2@outlook.com : xtw18387d7f2 :
  81. xtw18387+d8ad@outlook.com : xtw18387d8ad :
  82. xtw18387+da5d@outlook.com : xtw18387da5d :
  83. xtw18387+db4a@outlook.com : xtw18387db4a :
  84. xtw18387+dfa4@outlook.com : xtw18387dfa4 :
  85. xtw18387+e2c9@outlook.com : xtw18387e2c9 :
  86. xtw18387+e3fa@outlook.com : xtw18387e3fa :
  87. xtw18387+e5c1@outlook.com : xtw18387e5c1 :
  88. xtw18387+e979@outlook.com : xtw18387e979 :
  89. xtw18387+eaf4@outlook.com : xtw18387eaf4 :
  90. xtw18387+eee6@outlook.com : xtw18387eee6 :
  91. xtw18387+ef24@outlook.com : xtw18387ef24 :
  92. xtw18387+ef46@outlook.com : xtw18387ef46 :
  93. xtw18387+f129@outlook.com : xtw18387f129 :
  94. xtw18387+f3a4@outlook.com : xtw18387f3a4 :
  95. xtw18387+f4e5@outlook.com : xtw18387f4e5 :
  96. xtw18387+f7c0@outlook.com : xtw18387f7c0 :
  97. xtw18387+fb3f@outlook.com : xtw18387fb3f :
  98. zi.pu.nu.ju.za.m.o45@gmail.com : zi.pu.nu.ju.za.m.o45 : vgTOMXxOBvpFJSqJCiTw covgatMeNfEAPmOBEwcOU

    • Delivery within 24 hours
    • Contact
    • +8801776555648 (9am-11pm)

    ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি সম্পূর্ণ বেআইনি: বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম এর আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

    [By epharmacy on May 01, 2020]

    গত ৭ ই এপ্রিল ছিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এবারে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো “স্বাস্থ্য সুরক্ষা: সবার জন্য, সর্বত্র” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবায় ফার্মাসিস্টদের ভুমিকা ও স্বাস্থ্য সেবার অভুতপূর্ব উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ডাঃ মুরাদ হাসান এম.পি

    ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি সম্পূর্ণ বেআইনি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বাস্থ্য সেবায় ফার্মাসিস্টদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯২টি দেশের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪তম যোগ্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেই বাংলাদেশে ফার্মাসিস্টরা এতো পড়াশোনা করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না, এ ব্যর্থতার খাতায় নাম লেখানো যাবে না।

    তিনি বলেন, আপনাদের (ফার্মাসিস্ট) দু’টি দাবি, সরকারি হাসপাতালে নিয়োগ এবং সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে ওষুধ বিক্রিতে ফার্মাসিস্ট নিয়োগ। আমি আপনাদের দাবির সঙ্গে একমত এবং আন্তরিক। আমি এ বিষয়ে কথা বলবো। আপনাদের আজকের এই আয়োজন ব্যর্থ হবে না আমি কথা দিচ্ছি।

    স্বাস্থ্য সেবায় ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা সংসদের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ উত্তম কুমার বরুয়া, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, ডীন, ফার্মেসি অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

    মুখ্য আলোচক হিসেবে স্বাস্থ্য সেবায় ফার্মাসিস্টদের অবদান ও অপরিহার্য্যতা, বিশেষ করে হসপিটাল ফার্মেসি, কমিউনিটি ফার্মেসি এবং গবেষণার মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধ ও নিরাময়ে নতুন নতুন ওষুধ উদ্ভাবনে ফার্মাসিস্টদের ভুমিকা বা গুরুত্ব তুলে ধরেন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক,সাবেক ডিন, ফার্মেসি অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

    অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবারের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হিসেবে যে সবার জন্য স্বাস্থ্যকে বেছে নিয়েছে তার একটি ইতিহাস আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৮ সালে তাদের বার্ষিক সম্মেলনের জন্য সমাজতান্ত্রিক দেশ প্রাক্তন সোভিয়েট ইউনিয়নের আলমা আতা শহরকে বেছে নিয়েছিল। সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সব প্রতিনিধি সেখানে অংশ নিয়েছিল। চিকিৎসাশাস্ত্র ও ওষুধবিজ্ঞানের ক্রমাগত উন্নতির পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ের উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় আয়োজক রাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করার প্রেক্ষিতে অংশগ্রহণকারীদের ব্যাপক পর্যাালোচনার পর সম্মেলন থেকে যে সুপারিশমালা সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছিল তার সারাংশ হলো: (১) স্বাস্থ্য মানুষের জন্মগত অধিকার, কোন রাষ্ট্রই যা অস্বীকার করতে পারবে না; (২) প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে হতে হবে সরকারের প্রদত্ত স্বাস্থ্যসেবার মূল ভিত্তি; (৩) স্বাস্থ্য কোন পণ্য নয়, এটি একটি সেবা, তাই মুনাফাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে; (৪) প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে সরকারের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব ব্যয়সাশ্রয়ী করতে হবে; (৫) উচ্চতর স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় এমন হবে না যাতে রোগীরা চিকিৎসা নিতে গিয়ে গরীব হয়ে পড়ে; (৬) প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে দুর্গম এলাকাতেও সহজলভ্য করতে হবে; (৭) ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার এবং ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে; (৮) রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর জোর দিতে হবে ও নিবিড়ভাবে সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, পুষ্টি, খাদ্যাভ্যাস, পরিকল্পিত পরিবার, স্বাস্থ্যরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ক তথ্য প্রদানকে আরো কার্যকর করতে হবে এবং (৯) স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও উন্নয়নে শুধু পেশাজীবী নয়, জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। ১৯৭৮ সালের সেই সম্মেলন থেকে ‘২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্য’ এই লক্ষ্যকে আন্তর্জাতিক লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করে যা বিশ্বব্যাপী ‘আলমা আতা ঘোষণা’ নামে পরিচিতি লাভ করে। বলা বাহুল্য, বেশ কিছু অগ্রগতি হলেও নানাবিধ সীমাবদ্ধতার কারণে পৃথিবীব্যাপী ২০০০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যটি অর্জিত হয়নি। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার জন্য স্বাস্থ্যের এই শ্লোগানটিকে পুনরায় প্রতিপাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। গত বছরের প্রতিপাদ্যও ছিল এর কাছাকাছি।
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৮ ও ২০১৯ সালের জন্য যে প্রতিপাদ্য ঠিক করেছে, বঙ্গবন্ধু-কন্যা হুবহু এই কাজটি শুরু করেছিলেন ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পরপরই। তাঁর লক্ষ্য ছিল বিদ্যমান স্বাস্থ্য অবকাঠামোর পাশাপাশি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের গরিব মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতি ৬,০০০ মানুষের জন্য একটি করে ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু জনকল্যাণমুখী এই কর্মসূচিটির বাস্তবায়ন অনেকেই তখন অসম্ভব বলে মনে করেছিল। কিন্তু তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করে আজ থেকে ২০ বছর আগে ১৯৯৮ সালে দেশব্যাপী ১৩,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করেন। স্বভাবতই সারা দেশে একযোগে হাজার হাজার ক্লিনিক স্থাপনের কাজটি অত্যন্ত জটিল ও প্রচ- পরিশ্রম সাপেক্ষ। কিন্তু বঙ্গবন্ধু-কন্যার কিংবদন্তীসম পরিশ্রমের সামর্র্থ্য চারপাশের অন্যদেরকেও উদ্বুদ্ধ করেছিল। এরপর ২০০০ সালের ২৬ এপ্রিল তারিখে তিনি উদ্বোধন করেন দেশের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকটি। এই সেই গ্রাম যেখানকার স্কুলে বঙ্গবন্ধুর বাল্যের শিক্ষাজীবন কেটেছে। সেবারের মেয়াদে ২০০১ সাল পর্যন্ত তাঁর সরকার সারা দেশে ১০,৭২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেন। এর ফলে সারা দেশের গ্রামের অসহায় গরিব মানুষেরা অত্যন্ত উপকৃত হয় এবং কর্মসূচিটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের ভালো লাগছে যে আমাদেরই বঙ্গবন্ধু-কন্যার এই জনপ্রিয় থিম ও উদ্যোগটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পুনরায় প্রতিপাদ্য হিসেবে সারা বিশ্বজুড়ে গ্রহণ করেছে।

    ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মসূচির বৈশিষ্ট্যগুলো ছিল: ধনী-গরিব, ধর্ম বর্ণ বয়স, সুগম-দুর্গম যোগাযোগ নির্বিশেষে সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা, সবার জন্য ওষুধ, সবার জন্য পুষ্টি নির্দেশনা, সর্বজনীন টিকাদান, এসব সুবিধা কার্যকরভাবে পেতে স্থানীয়দের অংশগ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। সম্প্রতি এতে নিরাপদে সন্তান জন্মদানও যোগ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিপাদ্যেও এর সব কয়টি উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৯ সালে পুনরায় এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয় এবং সরকার সারা দেশে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের কাজ আবার শুরু করে। ইতোমধ্যে সরকার দেশে প্রায় ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে এবং দেশে আরো কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে এই সংখ্যাকে দেশব্যাপী ১৮,০০০-এ উন্নীত করা হবে।

    কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো এতোটাই সফল হয়েছে যে এখন বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ৭ কোটির বেশি মানুষ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছে। গত ২০০৯ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৬৫ কোটি মানুষ এই ক্লিনিকগুলো থেকে বিনামূল্যে ৩২টি ওষুধসহ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছে। এখন বিদেশ থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এগুলো সরেজমিনে দেখার জন্য এসে জিজ্ঞেস করছেন, কীভাবে এই অর্জন সম্ভব হলো?

    কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্থাপনের পর এখন গর্ভবতী মায়েরা এখানে নিরাপদে সন্তান জন্ম দিতে পারছেন, জটিল গর্ভাবস্থার রোগীদেরকে উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে রেফার করা হচ্ছে। শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, প্রতিবন্ধী, সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সবাই এখানে নিজেদের অসুখের চিকিৎসা বিনামূল্যে করাতে পারছেন। এছাড়া এরা সবাই এখান থেকে ৩০টি ওষুধ বিনামূল্যে পাচ্ছেন। মায়েরা প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পূর্ণ গোপনীয়তাসহ সেবা পাচ্ছেন। সব শিশু ও গর্ভবতী মায়েদেরকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সহজ হয়েছে। শ^াসতন্ত্রের সংক্রমণ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, যক্ষা, ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদি প্রাণঘাতী অসুখের হাত থেকে নবজাতক ও শিশুদের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করছে। এর ফলে গ্রামাঞ্চলে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমে এসেছে, সবাই প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা পাচ্ছে, চিকিৎসা পাওয়ার জন্য দূর শহরে কষ্ট করে যাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। সঠিক সময়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়ায় দরিদ্র মানুষের বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে পুষ্টিকর খাবার কিনে নিজেদের পুষ্টিমান উন্নত করতে পারছে, এর ফলে মানুষের সুস্বাস্থ্য উন্নত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বাড়ছে।

    শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাই নয়, সরকার সেই সাথে উচ্চতর স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নেও নজর দিয়েছেন। দেশজুড়ে অনেকগুলো নতুন হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে, পুরনোগুলোকে সংস্কার ও বর্ধিত করা হয়েছে, সব সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যের ওষুধ ও খাবারের বাজেট অনুদান দ্বিগুণ করা হয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে প্রত্যন্ত হাসপাতালগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ প্রদান চালু করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আজ যা বলছে তার প্রতিটি ইস্যু বঙ্গবন্ধু-কন্যা ২০ বছর আগেই বাংলাদেশে শুরু করে দিয়েছেন। ফলে দেশের সার্বিক অগ্রগতির সাথে সাথে স্বাস্থ্যসেবা খাতও ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে।

    চিকিৎসা সেবার বৈপ্লবিক উন্নয়নের পাশাপাশি ওষুধ খাতেরও অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। ১৯৭২ সালে যেখানে আমাদের দেশের বার্ষিক চাহিদার ৮২% ওষুধ আমদানি করতে হতো, সেই আমদানির পরিমাণ এখন ২%তে নেমে এসেছে। পৃথিবীতে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যারা তাদের চাহিদার এত কম পরিমাণ ওষুধ আমদানি করে। ভিয়েতনাম তার বার্ষিক চাহিদার মাত্র ৬০% তার দেশে উৎপাদন করতে পারে। ফিলিপাইন করে ৬৫%, উন্নত দেশ হওয়ার পথে প্রায় চলে গেছে যে মালয়েশিয়া তারা করে ৭১%, আর উন্নত দেশ বলে পরিচিত সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে তা ৮২%। বর্তমানে আমরা বছরে সাড়ে ২১,০০০ কোটি টাকার ওষুধ বাংলাদেশে বিক্রি করি। তাছাড়া আমরা এখন পৃথিবীর ১৪৬টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছি। আমাদের ৮টি ওষুধ কোম্পানি এখন প্রায় সব বিখ্যাত আন্তর্জাতিক মান সনদ লাভ করেছে। দু’বছর আগে আমাদের দু’টি ওষুধ কোম্পানি পৃথিবীর সবচাইতে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ বিক্রির অনুমোদন লাভ করেছে। এবছর আরো একটি কোম্পানি এফডিএ-এর অনুমোদন পেয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী দু’বছরের মধ্যে বাংলাদেশের কমপক্ষে আরো ৪টি ওষুধ কোম্পানি এই অনুমোদন পাবে। এই অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখা গেলে ‘রূপকল্প ২০২১’ এর বছরে আমাদের বার্ষিক ওষুধ রপ্তানির পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৮,৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। উপরন্তু বাংলাদেশে অধিকাংশ ওষুধের দাম এখনো তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

    এসব কৃতিত্বের মূল কারণ সরকারের আন্তরিকতা, ওষুধনীতিসমূহ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের সহজলভ্যতা। বাংলাদেশে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পছন্দের বিষয়গুলোর মধ্যে মেডিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি ফার্মেসি শিক্ষাও অন্যতম। এখন সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে ৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি পড়ানো হচ্ছে। ফলে আমরা প্রতি বছর প্রায় ৩,৫০০ দক্ষ গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট তৈরি করতে পারছি যা অনেক উন্নত দেশের জন্যও ঈর্ষণীয়। অনেক ধনী দেশও গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টের অভাবে তাদের ওষুধশিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে পারছে না। বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্য দক্ষ জনবল কোন সমস্যাই নয়। তবে পৃথিবীর যে কোন দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ফার্মাসিস্টরা সবচাইতে কম বেতনে কাজ করে। এর সুরাহা না করা গেলে ওষুধশিল্পের বিকাশে সমস্যা হওয়ার আশংকা অমূলক নয়।

    ওষুধ রপ্তানিতে বৈশ্বিক বাজারে আমাদের কোম্পানিগুলোর সুবিধা হলো আমাদের ওষুধের আন্তর্জাতিক মান এবং কম দাম। কম দামের কারণ হলো ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক ঘোষিত ওষুধের পেটেন্ট না মানার নীতিমালা, যা আমরা আজও মেনে চলছি। প্রধানত এ কারণে আমাদের দেশে ওষুধের দাম কম। দ্বিতীয়ত, ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমাদের দেশকে ট্রিপসের পেটেন্ট ছাড় দিয়েছিল বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। এরপর বর্তমান সরকার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস্ চুক্তির পেটেন্ট ছাড়ের সীমা ২০১৫ সাল থেকে বাড়িয়ে ২০৩২ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ওষুধের পেটেন্ট আমাদের দেশে প্রযোজ্য হবে না এবং আমরা সেগুলো বাংলাদেশে কম দামে তৈরি করতে পারবো।

    আমাদের দেশে ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত অধিকাংশ কাঁচামাল আমাদেরকে আমদানি করতে হয়। ওষুধখাত ও দেশের অর্থনীতির স্বার্থে কাঁচামালে এই বিদেশ-নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউসিয়া ইউনিয়নের তেতৈতলা গ্রামে ২০০ একর জমির উপর নির্মিত দেশের প্রথম ‘একটিভ্ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়্যান্ট পার্ক (এপিআই পার্ক)’ উদ্বোধন করেছেন। আশা করা যায় এখান থেকে আন্তর্জাতিক মানের ঔষধি কাঁচামাল উৎপাদন শুরু হলে বিদেশ-নির্ভরতা অনেক কমে আসবে, ফিনিশড্ ড্রাগ ও এপিআই উভয়ের উৎপাদন ও রপ্তানি আরো বাড়বে।

    দেশে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ, বিতরণ, বিক্রি ও নিরাপদ ব্যবহার সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারি সংস্থা হিসেবে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু ‘ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ২০১০ সালে ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তরকে পূর্ণাঙ্গ অধিদপ্তরে উন্নীত করেন এবং এর জন্য নতুন ৩৭০টি পদ অনুমোদন করেন। নতুন এই পদগুলোতে এখনো নিয়োগ চলছে। কিন্তু বড় সমস্যা হলো এখানে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট একেবারেই কম। অথচ বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসেবে এখানেই সবচেয়ে বেশি গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টের প্রয়োজন ছিল। সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের কাজের জায়গাগুলোতে তাদেরকে নিয়োগ দিয়ে তাদেরকে কাজ করার সুযোগ প্রদান খুবই জরুরি।

    সবার জন্য স্বাস্থ্য অর্জন করতে ওষুধখাতে এ সরকারের আমলে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো দেশে মডেল ফার্মেসির প্রচলন। এসব মডেল ফার্মেসিতে বিদেশের মতো গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা কাজ করবে। তারা কোন নকল, ভেজাল, নিম্ন মানের, মেয়াদোত্তীর্ণ, চোরাচালানকৃত ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না। প্যাকেটের গায়ে লেখা দামের চাইতে বেশি দাম রাখবে না। সবচেয়ে বড় কথা, এখান থেকে ক্রেতারা গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার বিষয়ে পরামর্শ পাবেন যা প্রচলিত ওষুধের দোকানগুলোতে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নেই বলে পাওয়া সম্ভব নয়। এর ফলে রোগীরা ওষুধের ক্ষতি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পাবেন। ওষুধের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য এসব ফার্মেসিতে ওষুধকে সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হবে। কেউ নিয়ম না মানলে সেই দোকানদারের মালিককে শাস্তি প্রদানেরও ব্যবস্থা রয়েছে। এটি যে জনগণের জন্য কী বিশাল উপকার তা ভুক্তভোগী রোগীরা ইতোমধ্যে উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন। ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে ব্যাপক সংখ্যায় সারা দেশে মডেল ফার্মেসি স্থাপন করার কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণ করা প্রয়োজন। তবে গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টহীন মডেল ফার্মেসি যাতে কেউ স্থাপন করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

    ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য একইভাবে দেশের সবগুলো সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে হসপিটাল ফার্মেসি চালু করা এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশের একটি সরকারি হাসপাতালেও এখন পর্যন্ত কোন হসপিটাল ফার্মেসি নেই, যা দুঃখজনক। জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬ অনুযায়ী জনস্বার্থে সারা দেশে মডেল ফার্মেসি ও হসপিটাল ফার্মেসির প্রচলনে সরকার অঙ্গীকার করেছেন। এর বাস্তবায়নের জন্য আশু পদক্ষেপ গ্রহণের কোন বিকল্প নেই। আশার কথা, গত বছর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য ১,০০০ গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টের পদ সৃষ্টির বিষয়টি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন, যা বাস্তবায়িত হলে সবার জন্য ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে একটি মাইলস্টোন হিসেবে পরিগণিত হবে।

    তবে স্বাস্থ্য ও ওষুধখাতের এত অগ্রগতির মধ্যেও চাঁদের কলংকের মতো আমাদের দেশে এখনও এমন কিছু কোম্পানি আছে যারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জিএমপি গাইডলাইন না মেনে ওষুধ উৎপাদনে নিয়োজিত রয়েছে। এমনকি অত্যন্ত উচ্চ প্রযুক্তিগত সুবিধায় তৈরি করতে হয় এমন সব এন্টিবায়োটিক, হরমোন, এমনকি এন্টিক্যান্সার ড্রাগও এক শ্রেণীর কর্মকর্তাদের পরোক্ষ সহযোগিতায় এসব নি¤œমানের কারখানা তৈরি করে যাচ্ছে। এসব কোম্পানির ক্ষতিকর এসব ওষুধ উৎপাদনের পরিমাণ ওষুধের মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাপে নগণ্য হলেও এদের বিরুদ্ধে সরকার ক্রমাগত নিবিড় মনিটরিং ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, এটি জনগণের সাথে সাথে ফার্মাসিস্টদেরও প্রত্যাশা। এটি করা না গেলে আমাদের সাফল্য যেমন ম্লান হয়ে যাবে, তেমনি জনস্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    এছাড়াও আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব । চেয়ারম্যান, লিভার বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার, চেয়ারম্যান, ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জনাব সেলিম আজাদ চৌধুরী, আহ্বায়ক, স্বাধীনতা ফার্মাসিস্ট পরিষদ , জনাব বাহাদুর বেপারী সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় সংসদ,

    জনাব আজিবুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরাম, জনাব সাদেক আহম্মেদ সৈকত,সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরাম এবং জনাব মেহেদী হাসান তানভীর, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরাম। সকল আলোচকবৃন্দ স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নের স্বার্থে সকল হাসপাতালে প্রথমশ্রেনীর (এ গ্রেড)ফার্মাসিস্টদের নিয়োগের গুরুত্ব আলোকপাত করেন। এছাড়াও উক্ত প্রোগ্রামে পাপ্পু, স্বরন, আবু হাসান সহ বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরামেরর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জনাব হারুন অর রশিদ, সভাপতি, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জনাব এম. আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটস্ এসোসিয়েশন।

    Categories

    Archives

    0